রাস্তার দেয়ালে চোখ জুড়ানো শিল্পকর্মঃ গ্রাফিতি

র্ট গ্রাফিতি কতটা সুন্দর হতে পারে তা দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে সুদূর বিলেতে।আসুন দেখে নেই কিছু স্ট্রিট আর্ট এবং গ্রাফিতির চোখ জুড়ানো দৃশ্য।

ইংল্যান্ডের সেন্টার বার্মিংহাম থেকে হাঁটাপথে কিছুদূর এগোলেই চোখে পরবে প্রতিটি দেয়াল অসাধারণ হয়ে উঠেছে শিল্পীর তুলির ছোঁয়ায়।

দিগবেথ এলাকার প্রতিটি ইটের গায়ে রয়েছে বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা আঁকা ছবি।

স্ট্রিট আর্টিস্টরা এঁকেছেন এসব ছবি।

এখানকার যে শক্তিশালী একটা সংস্কৃতি রয়েছে সেটা টের পাওয়া যায় শিল্পকর্মের প্রতিটি পরতে পরতে।

গ্রাফিতি আর্টিস্ট ডট কম নামে একটা ওয়েবসাইট চালান ডেভিড পান্ডা ব্রাউন।

তিনি বলছিলেন পাবলিক আর্ট,শিল্পীদেরকে এখানে টেনে আনে।

তিনি বলছিলেন “স্ট্রিট আর্ট এবং দিগবেথের গ্রাফিতি হল এখানকার হৃৎস্পন্দন”।

“এটা এত প্রাণবন্ত, এটা পরিবর্তন যোগ্য না আর এটাই এর সৌন্দর্য্য। এটা একটা অসাধারণ জায়গা”।

ডেভিড বলছিলেন দিগবেথে কিছু অনুমতি নেয়া দেয়াল আছে। আবার কিছু একেবারেই অবৈধ প্রদর্শন আছে।
বিষয়টা হল আপনাকে অনুমতি নিতে হবে এই দেয়াল গুলো ব্যবহার করার জন্য।

এটা ফ্রি না, যে আপনি আসলেন আর এঁকে ফেললেন।আর সেই কারণেই শিল্পকর্মগুলো সত্যিই দারুণ হয়।

“গ্রাফিতির নিয়মটা হল আপনি যদি ভালো কিছু করতে না পারেন তাহলে এটা ব্যবহার করতে পারবেন না।

গ্রাফিতি হল নাম এবং ট্যাগের বিষয়।” বলছিলেন তিনি।

কিছু কিছু ব্যবসায়ী তাদের দেয়ালে আঁকতে দিতে রাজি হয়েছেন তাই অনেক শিল্পীও আগ্রহ পাচ্ছেন এখানে আঁকতে।

১৯৮৪ সালের দিকে দিগবেথ ছিল একদম বিরান ভূমি।তিনি শুনেছেন মানুষজন নাকি অস্ট্রেলিয়া,

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এসব স্থান থেকে আসছেন বার্মিহামের এই ইটের উপর আকার জন্য।

“গ্রাফিতি শিল্পীরা খ্যাতি পছন্দ করে। তাই তারা এখানে আসেন যাতে অন্যদের নজর কাড়তে পারেন”।
তিনি বলেছিলেন “আমি বার্মিংহামকে ভালোবাসি আমি জানি এই স্থানের অনেক কিছু দেয়ার আছে।

আমি চাই আরো মানুষ আসুক এবং সেটা বুঝুক।

 

Share with your Friends

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *